সহবাস বা শারীরিক সম্পর্কের উপকারিতা শারীরিক, মানসিক এবং আবেগগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। এটি কেবল সন্তানের জন্ম দেওয়ার মাধ্যম নয়, বরং ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ও সুস্থতার ওপরও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
সহবাসের উপকারিতা:
১. শারীরিক উপকারিতা:
✅ হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা: সহবাসের ফলে অক্সিটোসিন, এন্ডোরফিন এবং ডোপামিনের মতো ‘হ্যাপি হরমোন’ নিঃসৃত হয়, যা মানসিক প্রশান্তি দেয়।
✅ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: নিয়মিত সহবাস রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।
✅ হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী: গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত সহবাস রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
✅ ব্যথা কমায়: যৌন মিলনের সময় অক্সিটোসিন ও এন্ডোরফিন নিঃসৃত হয়, যা মাথাব্যথা, পেশির ব্যথা এবং মাইগ্রেনের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
✅ উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: গবেষণায় প্রমাণিত, নিয়মিত যৌনতা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
✅ ঘুম ভালো হয়: সহবাসের পর শারীরিক প্রশান্তি আসে, যা গভীর ঘুমে সহায়তা করে।
২. মানসিক ও আবেগগত উপকারিতা:
✅ স্ট্রেস ও উদ্বেগ কমায়: সহবাস স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের মাত্রা কমিয়ে মনকে শান্ত রাখে।
✅ আত্মবিশ্বাস বাড়ায়: এটি ব্যক্তির মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে।
✅ সম্পর্ক দৃঢ় করে: দম্পতির মধ্যে আবেগগত বন্ধন বাড়ায় এবং পরস্পরের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি করে।
৩. ওজন নিয়ন্ত্রণ ও ফিটনেস:
✅ ক্যালরি বার্ন হয়: একটি স্বাস্থ্যকর শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমে ১৫-৩০ মিনিটে গড়ে ৭৫-১৫০ ক্যালরি বার্ন হতে পারে।
✅ পেশি শক্তিশালী করে: এটি পুরো শরীরের পেশিকে সক্রিয় রাখে এবং ফিটনেস বজায় রাখতে সহায়তা করে।
৪. সুস্থ বার্ধক্য:
✅ বয়সজনিত রোগ প্রতিরোধ: নিয়মিত যৌনতা বয়সজনিত কিছু রোগের ঝুঁকি কমায়, যেমন আলঝাইমার, ডিমেনশিয়া এবং অস্টিওআর্থ্রাইটিস।
তবে, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর সহবাস নিশ্চিত করতে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য, পারস্পরিক সম্মতি এবং সুরক্ষার বিষয়গুলো গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।