menu search
আমাদের সাইটে ভিজিট করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ | প্রশ্ন এবং উত্তর প্রদান করে আমাদের সাইট থেকে আয় করতে পারবেন | তাই দেরি না করে এখনই একাউন্ট করেন |
more_vert

নিচের অপশন গুলা দেখুন

  • দীপঙ্কর তালুকদার
  • জন হুইলার
  • কোপার্নিকাস
  • আইস্টাইন
thumb_up_off_alt 0 পছন্দ thumb_down_off_alt 0 জনের অপছন্দ

1 উত্তর

more_vert
 
verified
সর্বোত্তম উত্তর
সঠিক উত্তর হচ্ছে: জন হুইলার

ব্যাখ্যা: কৃষ্ণ গহ্বর \r\n━━━━━━━━❪❂❫━━━━━━━━\r\n১৯৬৯ সালে মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার সর্বপ্রথম কৃষ্ণ গহ্বর বা ব্ল্যাক হোল (BLACK HOLE) শব্দটি ব্যবহার করেন। এই ধারণা অনুযায়ী কৃষ্ণ গহ্বর মহাবিশ্বের এমন একটি বস্তু যা এত ঘন সন্নিবিষ্ট বা অতি ক্ষুদ্র আয়তনে এর ভর এত বেশি যে এর মহাকর্ষীয় শক্তি কোন কিছুকেই তার ভিতর থেকে বের হতে দেয় না,এমনকি তাড়িতচৌম্বক বিকিরণকেও (যেমন: আলো) নয়। প্রকৃতপক্ষে এই স্থানে সাধারণ মহাকর্ষীয় বলের মান এত বেশি হয়ে যায় যে এটি মহাবিশ্বের অন্য সকল বলকে অতিক্রম করে। ফলে এ থেকে কোন কিছুই ছুটে যেতে পারে না। অষ্টাদশ শতাব্দীতে প্রথম তৎকালীন মহাকর্ষের ধারণার ভিত্তিতে কৃষ্ণ গহ্বরের অস্তিত্বের বিষয়টি উত্থাপিত হয়।\r\n━━━━━━━━❪❂❫━━━━━━━━\r\n\r\nতথ্যকণিকা \r\n\r\n? জেনারেল থিওরি অফ রিলেটিভিটি অনুসারে, কৃষ্ণ গহ্বর মহাকাশের এমন একটি বিশেষ স্থান যেখান থেকে কোন কিছু,এমনকি আলো পর্যন্ত বের হয়ে আসতে পারে না।\r\n \r\n? এটা তৈরি হয় খুবই বেশি পরিমাণ ঘনত্ব বিশিষ্ট ভর থেকে।\r\n \r\n? প্রতিটি গালাক্সির স্থানে স্থানে কম-বেশি কৃষ্ণ গহ্বরের অস্তিত্বের কথা জানা যায়। সাধারণত বেশীরভাগ গ্যালাক্সিই তার মধ্যস্থ কৃষ্ণ বিবরকে কেন্দ্র করে ঘূর্ণায়মান।\r\n \r\n? ব্ল্যাক হোলের অস্তিতের প্রমাণ কোন স্থানের তারা নক্ষত্রের গতি এবং দিক দেখে পাওয়া যায়।\r\n\r\n? মহাকাশবিদগণ ১৬ বছর ধরে আশে-পাশের তারকা মণ্ডলির গতি-বিধি পর্যবেক্ষণ করে ২০০৮ সালে প্রমাণ পেয়েছেন অতিমাত্রার ভর বিশিষ্ট একটি ব্ল্যাক হোলের যার ভর সূর্য থেকে ৪ মিলিয়ন গুন বেশি এবং এটি আকাশগঙ্গার মাঝখানে অবস্থিত।\r\n\r\n? দুটি ব্ল্যাকহোল মিলিত হলে যে অশান্ত ব্ল্যাকহোল তৈরি হয়, সেখান থেকে আসে বৃত্তায়িত মহাকর্ষ তরঙ্গ। ১৯১৫ সালে বিজ্ঞানী আইনস্টাইন তাঁর আপেক্ষিকতা তত্ত্বে এই মহাকর্ষীয় তরঙ্গের কথা উল্লেখ করেন। ২০১৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের লাইগোর (LIGO- The Laser Interferometer Gravitational-Wave Observatory) সনাক্তকরণ যন্ত্রে একটি সংকেত ধরা পড়ে। এই সংকেত ছিল ১৩০ কোটি আলোকবর্ষ দূরের দুটি ব্ল্যাক হোলের মিলনের ফলে সৃষ্ট মহাকর্ষ তরঙ্গেরই সংকেত। (সূত্র- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান) \r\n \r\n? দীর্ঘ বিশ্লেষণ শেষে ১০ এপ্রিল, ২০১৯ সালে প্রথমবারের মত একটি কৃষ্ণবিবর ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের প্রত্যক্ষ চিত্র প্রকাশিত হয়। \r\n\r\n? বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত পাবনা জেলার সেলিম শাহরিয়ার এবং বরগুনার দীপঙ্কর তালুকদার ছিলেন মহাকর্ষীষ তরঙ্গ সনাক্তকারী গবেষক দলের অন্যতম সদস্য। দীপঙ্কর তালুকদার ঢাকা বিশ্বিবিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞানের ছাত্র ছিলেন। \r\n\r\n? ব্ল্যাক হোলের পেছনে ‘ইভেন্ট হরাইজন’ নামক একটি স্থান আছে, যাকে বলা হয় ‘পয়েন্ট অব নো রিটার্ন’। এই জায়গায় মহাকর্ষীয় শক্তি এতটাই তীব্র যে, এখান থেকে কোনো কিছুই আর ফেরত আসতে পারে না। \r\n \r\n? নাম ব্ল্যাক হোল হলেও এর পুরোটা ফাঁকা জায়গা নয়। বরং এর মধ্যে খুব অল্প জায়গায় এত ভারী সব বস্তু আছে যে, এসবের কারণে তীব্র মহাকর্ষীয় শক্তি উৎপন্ন হয়। \r\n━━━━━━━━❪❂❫━━━━━━━━
thumb_up_off_alt 0 পছন্দ thumb_down_off_alt 0 জনের অপছন্দ

392,501 টি প্রশ্ন

384,248 টি উত্তর

138 টি মন্তব্য

1,625 জন সদস্য

66 অ্যাক্টিভ ইউজার
0 সদস্য 66 অতিথি
আজ ভিজিট : 62321
গতকাল ভিজিট : 143598
সর্বমোট ভিজিট : 173449650
এখানে প্রকাশিত প্রশ্ন ও উত্তরের দায়ভার কেবল সংশ্লিষ্ট প্রশ্নকর্তা ও উত্তর দানকারীর৷ কোনপ্রকার আইনি সমস্যা সবজানো.কম বহন করবে না৷
...